বারাতলা অঞ্চলের 100জন সংখ্যালঘু রাষ্ট্রবাদী ব্যক্তিগন, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যযুগীয় অপশাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে সামিল হয়।

ভারতীয় জনতা পার্টি শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক দল নয়, ভারতীয় জনতা পার্টি দেশহীত ও জনহীত সাধনের আদর্শ ও ভাবধারাকে পাথেয় করে দেশের সার্বিক বিকাশ ও সোনার ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্যে ব্রতী। ভারতবর্ষের যশস্বী প্রধানমন্ত্রী মাননীয় নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদী’জীর নেতৃত্বে সোনার ভারত, বিকশিত ভারত গড়ার লক্ষ্য আজ সর্বোচ্চ সাফল্য পেয়েছে।
অপরদিকে ভারতবর্ষের এই সার্বিক উন্নয়নের বিরোধী এবং দেশহীতের পরিবর্তে নিজহীতে বিশ্বাসী কিছু পকেট মোটা করা,কাটমানিখোর রাজনৈতিক দল,যারা বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তিকে মদত দেয়,যারা মানুষের মধ্যে সাম্প্রদায়িককতার বিষ ছড়ায়,তারা সবসময় একটাই বুলি আওড়ায় যে ভারতীয় জনতা পার্টি হল সাম্প্রদায়িক দল।তাদের এই অপপ্রচার এবং জনসাধারণের মধ্যে বিষ ছড়ানোর কাজকে আবারও ভুল প্রমাণিত করে,আজ (১৫/০৪/২০২৪) সোমবার, ভারতীয় জনতা পার্টি কাঁথি সাংগঠনিক জেলার, জেলা কার্যালয়ে,খেজুরী বিধানসভার অন্তর্গত বারাতলা অঞ্চলের একুশজন সংখ্যালঘু রাষ্ট্রবাদী ব্যক্তিগন, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যযুগীয় অপশাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে সামিল হতে,ভারতবর্ষের সার্বিক উন্নয়নের কান্ডারী যশস্বী প্রধানমন্ত্রী মাননীয় নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদী’জীর নেতৃত্বে, বিকশিত ভারত গড়ার লক্ষ্যে, ভারতীয় জনতা পার্টির আদর্শ ও ভাবধারায় উদ্বুদ্ধ হয়ে, তৃণমূল কংগ্রেস নামক স্বৈরাচারী দল ত্যাগ করে, ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগদান করেন।
ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগদানকারী একুশজন সংখ্যালঘু রাষ্ট্রবাদী ব্যক্তিগনের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি ও দক্ষিণ কাঁথি বিধানসভার বিধায়ক মাননীয় অরূপ কুমার দাস মহাশয় ও কাঁথি লোকসভা কেন্দ্রে ভারতীয় জনতা পার্টির মনোনীত প্রার্থী মাননীয় সৌমেন্দু অধিকারী মহাশয়।
উক্ত যোগদান কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক ড. চন্দ্রশেখর মন্ডল, জেলা সহ-সভানেত্রী মুনমুন দাস সহ জেলা কার্যকর্তাগন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!